শুভ জন্মদিন চিত্রনায়িকা একা

আগের সংবাদ

বিএনপি থেকে প্রজন্ম লীগে এসেই নেতা

পরের সংবাদ

আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ সদস্যসহ আটক-৪

ইস্কান্দার হোসাইন

প্রকাশিত :৫:০১ অপরাহ্ণ, ২৭/০৭/২০
আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ সদস্যসহ আটক-৪

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ কনেস্টবলসহ ৪ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসসহ দেশীয় অস্ত্র ও মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

রোববার (২৬ জুলাই) রাত ৯ টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা থেকে তাদেরকে হাতে নাতে আটক করে র‌্যাব-৪ এর একটি অভিযানিক দল।

আটকৃতরা হলো- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার শ্যামপুর গ্রামের মৃত তসলিম উদ্দিনের ছেলে মো. মমিনুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার ছোনকা গ্রামের মো. আবদুল লতিফের ছেলে আবদুল হামিদ (মাইক্রোবাস চালক)। গাইবান্ধা জেলার সদর থানার চৌদ্দগাছা গ্রামের মৃত তফেজল মিয়ার ছেলে ওয়াহেদ ও অপরজন জামালপুর জেলার মালন্দ থানার চরগুহিন্দি গ্রামের মো. সুরুজ শেখের ছেলে ওয়াজেদ শেখ। এদের মধ্যে মমিনুর রহমান আশুলিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল।

এঘটনায় ভুক্তোভোগী নুর উদ্দিন পাটোয়ারী জানান,  গত বুধবার (২২ জুলাই) রাতে জামগড়ায় আমার নুর মেডিকেল হলে বিক্রয় নিষিদ্ধ ঔষধ রয়েছে দাবী করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবী করে এবং নগত কিছু টাকা নিয়ে চলে যায়। যাবার সময় দাবীকৃত টাকা নিতে রোববার রাতে আসার কথা জানায় তারা। তখন বিষয়টি র‌্যাব-৪ ক্যাম্পে অবহিত করেন নুর উদ্দিন। পরে র‌্যাব ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের অপেক্ষায় করতে থাকে। তারা আসলে তাদের হাতে নাতে আটক করে।

এ সময় তাদের থেকে একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাস, বেশকিছু দেশি অস্ত্র, ১টি ওয়াকিটকি সেট, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি পুলিশ আইডি কার্ড, পুলিশ লিখা স্টিকার, ১টি সিগন্যাল লাইট, ৪৮০ গ্রাম গাঁজা, ১৯০ পিস ইয়াবা, ১৬টি বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম কার্ড, জাল ৩৭ হাজার টাকা, মাদক বিক্রির নগদ ২৮ হাজার ৮১৫ টাকা, বিভিন্ন রংয়ের ৭টি মানিব্যাগ এবং ১২টি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।

এব্যাপারে র‌্যাব-৪ এর কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জমির উদ্দিন জানান, আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে তাদের হাতে নাতে আটক করি। এরমধ্যে আশুলিয়ার থানার একজন পুলিশ সদস্য রয়েছে। তল্লাশী করে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, ওয়াকিটকি, জাল টাকা, ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংকের ১৬ এটিএম কার্ড পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি, মাদকদ্রব্য বিক্রয় ও জাল নোট রাখার অপরাধে আশুলিয়া থানায় চারটি মামলা করা হয়েছে। দুটি মামলার বাদী র‌্যাব এবং দুটি মামলার বাদী ভুক্তভোগী।