ক্রেতার সংখ্যা কম হওয়ায় চিন্তিত খামারিরা

আগের সংবাদ

বগাবাড়ি বাজারে এসেছে 'বিমান'

পরের সংবাদ

ছাত্রের হাতে শিক্ষক খুন:

হাজী ইউনুস আলী কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত :৭:৫৩ অপরাহ্ণ, ০৬/০৭/২২

 

ছাত্রের হাতে শিক্ষক খুন:

সাভারের আশুলিয়ায় ছাত্রের হাতে শিক্ষক হত্যাকান্ডের ঘটনায় এবার প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ সাইফুল হাসানকে শোকজ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনুমতি ছাড়া নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদান করায় অধ্যক্ষের কাছে সাত কর্মদিবসের মধ্য সুষ্পষ্ট ব্যাখা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ৩০ জুন আশুলিয়ার হাজী ইউনুছ আলী কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বরাবর কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

হাজী ইউনুছ আলী কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, ‘আমি ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসেছি। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে আমাকে কারণ দর্শানোর একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। কলেজের এক শিক্ষক মুঠোফোনে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তারা কিছু বলেননি। স্কুল শাখাটা বোর্ডের অনুমোদন না নিয়ে চালানো এটার বিষয়ে কিভাবে চালাচ্ছি সেটা জানতে চেয়েছেন। সাত কর্মদিবেসর মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এর আগে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে একটা তদন্ত টিম এসেছিলেন। তারাই প্রতিবেদন দিয়েছিলেন এই বিষয়ে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে উৎপল স্যারকে হত্যার বিচার অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য একটা বড় চক্রান্ত শুরু হয়েছে। সব স্কুল গুলো স্কুল উপজেলার অনুমতি নিয়ে এভাবেই চলে। দ্যাখেন, আমরা এতদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছি, উপবৃত্তি পাচ্ছি। তাহলে এতদিনতো শিক্ষা বোর্ড আমাদের বলে নাই যে আপনারা বন্ধ করেন।’

মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, হাজী ইউনুছ আলী কলেজের অধ্যক্ষকে আমরা শোকজ করেছি। ওনার নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানের অনুমতি কোথা থেকে কিভাবে পেয়েছেন এই বিষয়টার ব্যাখ্যা চেয়েছি আমরা। কারণ দর্শানোর জন্য সাত কর্মদিবসের মধ্যে সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন কলেজ প্রাঙ্গণে মেয়েদের ক্রিকেট খেলার সময় দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম জিতু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরদিন রবিবার সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। একই দিন নিহতের বড় ভাই অসীম কুমার সরকার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর ২৯ জুন জিতুর বাবা উজ্জ্বল হোসেনকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই দিন রাতে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার হয় জিতুও। পরে তাদের উভয়ের ৫ দিন করে৷ রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ড শেষে আজ ৬জুলাই আদালতে শিক্ষক উৎপলকে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা
এই বিভাগের সর্বশেষ