আশুলিয়ার বগাবাড়ী এলাকা থেকে ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মাসুদ রানা (৩৫) সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪।
বুধবার (১২ মার্চ) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৪-এর সিপিসি-২ কোম্পানি কমান্ডার মেজর জালিস মাহমুদ খান।
এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়ার বগাবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের একটি খাবার হোটেল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মাসুদ রানা (৩৫) নেত্রকোনা সদর থানার তিউসিড়ী গ্রামের মো. হাসানের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার বগাবাড়ী বাজার এলাকায় আমজাদ হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বিপ্লব ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার অলিপুর থানার মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। আল আমিন শেখ (২৫) ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার এলাহী শেখের ছেলে। জহির (৪৪) জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীর গজারিয়া থানার কেসমতের ছেলে।
র্যাব-৪ জানান, আশুলিয়ার বগাবাড়ী বাজার এলাকায় এলাকায় চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে এক দোকানিকে ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র।
ভুক্তভোগী মফিজ শেখ ফুটপাতে দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে বাসস্ট্যান্ড এলাকার শান্তা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে পৌঁছালে ছিনতাইকারী দলের চার সদস্য তাকে ঘিরে ধরে। এরপর তারা জোরপূর্বক চেতনানাশক ওষুধ মিশ্রিত চা সদৃশ দ্রব্য খাওয়ানোর চেষ্টা করে।
তবে, সন্দেহ হওয়ায় মফিজ শেখ চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত জড়ো হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে, ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে র্যাব-৪-এর একটি ভাসমান টহল দল যাচ্ছিল। ভুক্তভোগী র্যাব সদস্যদের সহায়তা চাইলে, তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় ছিনতাইকারীদের আটক করে।
পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৪.৯ গ্রাম চেতনানাশক ওষুধ সদৃশ পদার্থ, একটি বোতলে চা সদৃশ দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি, চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এবিষয়ে র্যাব-৪-এর সিপিসি-২ কোম্পানি কমান্ডার মেজর জালিস মাহমুদ খান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা ও আশুলিয়া এলাকায় চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে সাধারণ মানুষের মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।