আশুলিয়ায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ

আগের সংবাদ

সাভারে ছুরিকাঘাত করে যুবকে হত্যা

পরের সংবাদ

ঈদকে সামনে রেখে আশুলিয়ায় ব্যস্ত কামারপট্টি

হাসান ভূঁইয়া

প্রকাশিত :৮:৩৫ অপরাহ্ণ, ১৮/০৮/১৮

হাসান ভূইয়া, আশুলিয়া এক্সপ্রেস:

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার বিভিন্ন আনাচে কানাচে অবস্থিত কামারপট্টি গুলো। দিনরাত সমান তালে ঠণ ঠণ আওয়াজে তারা তৈরী করছে ছুরি, চাপাতি, দা, বটিসহ আরো অনেক ধরনের লোহার সরঞ্জাম। কোরবানীর ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে তাদের ব্যস্ততা।

আশুলিয়ার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোর রাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্থ সময় পার করছেন এ সকল বাজারের কামাররা। অনেকের আবার হাতে বেশি অর্ডার থাকায় নতুন করে কোন অর্ডার নিচ্ছেন না। সারা বছর কাজ না থাকলেও কোরবানীর ঈদের এ সময়টা বরাবরই ব্যস্থ থাকতে হয় তাদের । কোরবানীর পশু জবাইর সরঞ্জামাদি কিনতে লোকজনও ভিড় করছে তাদের দোকানে। এ দিকে কামারের দোকান গুলোতে শোভা পাচ্ছে গরু ছাগলসহ বিভিন্ন পশু জবাইয়ের উপকরণ। এর মধ্যে রয়েছে- ছুরি, চাপাতি, দা, বটিসহ মাংশ কাটার জন্য গাছের গুলের টুকরো ।

আশুলিয়ার বগাবাড়ি বাজারের ওয়াজকরনী কর্মকার জানান, সারা বছর সাধারণত আমাদের তেমন কাজ থাকে না কিন্তু কোরবানীর ঈদ আসলে কাজ বেড়ে যায়। বর্তমানে ছোট ছুরি থেকে করে বড় ছুরি ও ধামার সান দেয়ার জন্য ৩০ টাকা থেকে শুরু করে গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ৫০ থেকে ৮০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিটি ছোট ছুরি ৬০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। দা, বটি, চাপাতি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা কেজি হারে । তবে বিগত বছরের তুলনায় একটু কম সরঞ্জামাধি ক্রয় করছেন ক্রেতারা বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে লোহার উচ্চ মূল্য আর বিক্রি কমে যাওয়ায় কেউ কেউ লোকসানের আশংকাও করছেন। অনেকে আবার ব্যাংক ও এনজিও থেকে অনেকেই ঋন নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন। বেচা-কেনা বেড়ে গেলে ঘুরে দাড়াতে পারবেন বলে মনে করছেন তারা। এদের মধ্যে অনেকে আবার বাপ-দাদার ঐতিহ্যের পেশা ধরে রাখতে দিন-রাত খেটে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।

এদিকে যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাণ দেন তাদের অবস্থা মোটামুটি ভাল বলে জানাগেছে। তাদের কমবেশি সারা বছরই কাজ থাকে। কারণ মহিলাদেরতো সারা বছরই দা, বটি, ছুরি শাণ দিয়ে থাকেন।

এই বিভাগের সর্বশেষ