আশুলিয়ায় সাবেক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ইন্টারনেট ব্যবসা দখলের অভিযোগ

আগের সংবাদ

আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ইমাম হাসান, বিএনপি নেতা জাকিরসহ ৭৪ জনের নামে মামলা

ইস্কান্দার হোসাইন রুদ্র

প্রকাশিত :৬:৫৫ অপরাহ্ণ, ২৮/০৯/২৬

ঢাকার আশুলিয়ায় একটি ট্রাস্ট পরিচালিত মাদ্রাসায় সশস্ত্র হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লকার ভেঙে নগদ ২০ লাখ টাকাসহ বিপুল টাকার মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রমিক লীগ নেতার ভাই ইমাম হাসান, স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতা জাকির হোসেন ওরফে ছোছা জাকির, শুটার মামুন ও সুপার কালুসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসার প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক সৈয়দ সানজিদ (৪৫) বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় অবস্থিত তাহফিজুল কোরআনিল কারিম ফাজিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলার আসামিরা হলেন, শ্রমিক লীগ নেতার ভাই ইমাম হাসান (৫০)। গাজীরচট এলাকার জাকির হোসেন ওরফে ছুছা জাকির (৪৭), সুবন্দী এলাকার মামুন দেওয়ান ওরফে শুটার মামুন (৪০), কন্ডা এলাকার শুটার কালু (৩৫), মোঃ রুবেল (৪৫), মারুফ হোসেন মুকুল (৫৫), ডাক্তার সালেউদ্দিন সাঈদ (৬০), ফজলুল কবির (৬০), মোঃ বাবু (৩৫), রফিক দেওয়ান (৫৫), হাবিবুর (৩৫), কানা মনির (৩৬), শামীম (৩৮) ও মোঃ দিপু (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার মালিকানাধীন মার্কেট নিয়ে আসামিদের সাথে কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে রোববার বিকেলে প্রধান আসামি ইমাম হাসানের নির্দেশে সোসা জাকির, শুটার মামুন ও শুটার কালুসহ অন্যান্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মাদ্রাসায় বেআইনিভাবে প্রবেশ করে। তারা জোরপূর্বক মাদ্রাসা ও মার্কেট দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় মাদ্রাসার সিকিউরিটি ইনচার্জ মোঃ আলতাব হোসেন বাধা দিলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা মাদ্রাসার আসবাবপত্র, দরজা-জানালা এবং প্রায় ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। এতে মাদ্রাসার অন্তত ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়। একপর্যায়ে তারা অফিসের লকার ভেঙে নগদ ২০ লাখ টাকা, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ল্যাপটপ এবং ২ লাখ টাকা মূল্যের ১০টি কম্পিউটার মনিটর লুট করে নিয়ে যায়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের লোকজন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় একটি মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা
এই বিভাগের সর্বশেষ