সাভারে বাঁধা উপেক্ষা করে চলছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান

আগের সংবাদ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন সাংবাদিক জাহিদ

পরের সংবাদ

স্টুডেন্ট ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর, বিচার চেয়ে থানায় অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রকাশিত :৪:২১ অপরাহ্ণ, ০৫/০৪/২২

 

 

 

সাভারে স্টুডেন্ট ভাড়া নিয়ে বাসের স্টাফদের সাথে বাকবিতন্ডার পরে হাতাহাতি হয়ে আহতের ঘটনায় থানায় বিচার চাইতে সাভার মডেল থানায় শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সেই শিক্ষার্থীরা সড়কে থাকা সেই নামের আটটি বাস আটকিয়ে দেয়৷

মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সাভার বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে মহাসড়কে চলাচলরত কয়েকটি বাস আটকে রাখে। রিপোর্টটি লিখা পর্যন্ত থানায় অবস্থান করছেন শিক্ষার্থীরা।

আহত ইউনুস কবির সেলিম পিতা মতিউর রহমান। সে সাভার সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী ইউনুস কবির সেলিম বলেন, আমরা সকালে পলাশবাড়ী ও পল্লিবিদ্যুৎ এলাকা থেকে তিন বন্ধু মিলে সাভার কলেজে আসার জন্য ওয়েলকাম পরিবহনের একটি বাসে উঠি। পরে সাভার থানা স্টান্ডে নামার ভাড়া দিয়ে নামার জন্য গেলে৷ তিন জনের ‘স্টুডেন্ট ভাড়া’ ৩০ টাকা দেই। কিন্তু বাসের কন্টেকটর আমি সহ আমার দুই বন্ধুকে বাজে ভাবে গালিগালাজ করে। পরে আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে বাসের স্টাফরা সবাই আমাদেরকে মারধর করে। এ সময় আমার হাতে গাড়ির একটি কাচের টুকরো লাগে এবং আমার হাত কেটে যায়। পড়ে আমাদের মেরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে বাস নিয়ে তারা পালিয়ে যায়।

রিমন নামের আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন,বাসে ভারা নিয়ে বাকবিতন্ড হওয়ার সময় তারা আমাদের কাছে আইডি কার্ড দেখতে চাই। কিন্তু আমরাতো কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ায় এখনো কলেজ থেকে কোন কার্ড দেইনি। কিন্তুু আমাদের শরিরে কলেজের ড্রেস পড়া ও সাথে বই পত্র থাকার পড়েও আমাদের তারা মারধর করে। পরে বাস নিয়ে পালিয়ে গেলে আমরা রাস্তায় থাকা সেই পরিবহনের আটটি বাস আটকে দেয় আমাদের শিক্ষার্থীরা।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি অপারেশন) মাকারিয়াছ বলেন, শিক্ষার্থীরা থানায় আসছে। আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি ও বাস মালিকদের সাথেও কথা বলেছি তাদের থানায় আসতে বলছি তারা আসলে যেভাবে ভালো হয় সেটা করে দিব।

 

এই বিভাগের সর্বশেষ