গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর তার কার্যকলাপের কারণে কোথাও গিয়ে আটক হচ্ছে, অবরুদ্ধ হচ্ছে, আবার যেখানে সেখানে মার খায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর সেন্ট্রার রোডস্থ জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মোস্তফা বলেন, ভিপি নুর এক সময় আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মা মা বলে পা ছুঁয়ে সালাম করেছিলেন। অথচ এখন তারাই হয়ে গেছে ফ্যাসিস্ট বিরোধী শক্তির হাতিয়ার। আমরা যারা নির্বাচন করেছি, তারা হয়ে গেছি ফ্যাসিস্টদের দোসর। এই হলো বর্তমান অবস্থা। ২০১৪ সালে যখন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানকে সিএমএস বাড়িতে থেকে তুলে নিয়ে গেলো তখন একটা দলও তারপক্ষে কথা বললো না।
তিনি আরো বলেন, এখন যদি নির্বাচন হয় তাহলে বিএনপি সরকারে আসবে। বিএনপি যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে এজন্য বিএনপিকে কিভাবে আলাদা করে রাখা যায়, বিশেষ করে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বিএনপিকে কালার করার চেষ্টা করছে। বিএনপির জনপ্রিয়তার ধ্বংস নামার জন্য তারা চেষ্টা করছে। এটা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা বলে মনে করি। নির্বাচন পেছানো এবং বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্টের কাজে তারা ব্যস্ত আছে।
তিনি আরও বলেন, কেউ যদি মনে করে রংপুরে জাতীয় পার্টি দুর্বল, তাহলে একবার এসে দেখুক। তাদের যদি শক্তিসামর্থ থাকে, আরো যদি তাদের কেউ থাকে, তাদের নিয়ে আসুক। তাদের হাত পা ভেঙ্গে দেবো। আমরা রংপুরের রাজনীতি করি। আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত আমরা লড়াই করে যাবো। আমরা অন্যায়কে বরদাস্ত করবো না, আমরা কাউকে ছাড়ও দিব না। আমাদের পার্টি অফিস রক্ষা করব। এতে আমি জেলে যেতে পারি, আমি মারাও যেতে পারি। তবু অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
এসময় জাতীয় পার্টির কার্যালয় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসীর, জাতীয় পার্টি প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ আজমল হোসেন লেবুসহ জাতীয় পার্টির মহানগর ও জেলার সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।এদিকে সকাল থেকেই দলীয় অফিসে পাহারা বসায় জাতীয় পার্টি। এসময় সকল পর্যায়ের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেন।