কানাডার টরন্টোয় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শাহরিয়ার খান মাহির ও আরিয়ান আলম দীপ্তর জানাজা আজ সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর স্কারবোরোর ১ স্টামফোর্ড স্কয়ার নর্থে মসজিদ আল-আবেদীনে অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে গতকাল রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ইটোবিকোকের ১২১ সিটি ভিউ ড্রাইভে অবস্থিত লোটাস ফিউনারেল অ্যান্ড ক্রিমেশন সেন্টারে এঞ্জেলা শ্রেয়া বাড়ৈর প্রার্থনা এবং ভিউয়িংয়ের (শেষ দর্শন) আয়োজন করা হয়েছিল। নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এঞ্জেলার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বা ২৫ ফেব্রুয়ারি টার্কিশ এয়ারওয়েজে এঞ্জেলার মরদেহ বাংলাদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তার আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি এঞ্জেলার বাবা ঢাকায় ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শাহরিয়ার খান এবং আরিয়ান দীপ্তর মরদেহ অন্টারিওর করোনার অফিস থেকে ইকো ক্রিমেশন অ্যান্ড বারিয়াল সার্ভিসেস ইনকের কাছে দেওয়া হয়েছে। এই দুই জনের মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থাপনা করবে এই প্রতিষ্ঠান।
ইকো ক্রিমেশন অ্যান্ড বারিয়াল সার্ভিসেসের ফিউনারেল ডিরেক্টর নাথান রমাগনলি জানান, পরিবারের অনুমোদন না থাকায় তাদের মরদেহ কখন কীভাবে দেশে পাঠানো হবে এই ব্যাপারে তিনি কোনো তথ্য জানাতে পারছেন না।
অন্যদিকে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের ছেলে নিবিড় কুমার দে’র শারীরিক অবস্থার একটু উন্নতি হলেও শঙ্কা এখনো কাটেনি।