আট বছর ফার্স্ট মিনিস্টারের দায়িত্ব পালনের পর আজ বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী এডিনবার্গে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা দেন স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টারের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন দেশটির স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জন। তবে স্কটল্যান্ড ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) নতুন নেতা নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকবেন তিনি।
এদিন সংবাদ সম্মেলনে স্টার্জন বলেন, ‘আমার পদত্যাগ করার সময় এখনই। এটি আমার, দলের এবং দেশের জন্য মঙ্গলকর। যদিও হঠাৎ করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া কিছুটা সন্দেহজনক। তবে কারো চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নিইনি’।
তিনি আরও বলেন, ‘গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্যায়ন থেকেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত। আমি দাপ্তরিক কাজে নিজেকে পুরো ঢেলে দিতে পারছি না। অনেক লড়াই করেছি। কয়েক সপ্তাহ ধরে দোদুল্যমান অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। পদে থাকতে হলে নিজের সবটুকু সময় দিতে হয়। ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না’।
বেশ কিছুদিন ধরে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছিল স্টার্জনের। পাশাপাশি স্কটল্যান্ডে চিকিৎসকদের পরীক্ষা ছাড়াই লিঙ্গ পরিবর্তনের আইন পাসে ওয়েস্টমিনস্টারের বাধা দেওয়া নিয়েও চলছিল উত্তেজনা। এর মধ্যেই স্টার্জনের পদত্যাগের ঘোষণায় বিস্মিত এসএনপির সাবেক এমপি স্টেফেন গেথিন্স।
সাবেক এই এমপি বলেন, ‘স্টার্জন এমন একজন নেতা যিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এটা খুবই কঠিন কাজ। এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অত্যন্ত চাপে থাকতে হয়’।