আড়াই ঘণ্টা অচল স্টারলিংক, ক্ষমা চাইলেন মাস্ক

আগের সংবাদ

জামায়াত ক্ষমতায় আসলে মানুষ নিরাপদে থাকবে : সাভার পৌর রুকন সম্মেলনে জেলা আমীর

পরের সংবাদ

আগুনে পোড়া রোগীর যেসব খাবারে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ও যেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত :৭:৪৮ অপরাহ্ণ, ২৫/০৭/২৫

আগুনে পোড়া রোগীর (Burn Patient) জন্য পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময় শরীরের কোষ মেরামত, ত্বক পুনর্গঠন ও সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য অতিরিক্ত পুষ্টি প্রয়োজন হয়। নিচে রোগীর খাদ্য তালিকায় যেসব বিষয় গুরুত্ব দেওয়া উচিত এবং যেসব খাবার এড়ানো উচিত তা দেওয়া হলো:

✅ আগুনে পোড়া রোগীর জন্য উপকারী খাবার:
1. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার – কোষ পুনর্গঠনে সহায়তা করে
ডিম

মুরগির মাংস (স্কিন ছাড়া)

মাছ (বিশেষ করে সাদা মাছ ও সামুদ্রিক মাছ)

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (যেমন: দই, পনির)

ডাল, ছোলা, সয়াবিন

2. উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার – শরীরের শক্তি চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে
ঘি বা তেল (সীমিত পরিমাণে)

বাদাম (কাজু, আমন্ড, আখরোট)

কলা, খেজুর

ওটস, সুজি, রুটি বা ভাত

3. ভিটামিন ও খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ খাবার
ভিটামিন C: কোষ পুনর্গঠন ও ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে

লেবু, মাল্টা, আমলকি, পাকা পেপে

ভিটামিন A: ত্বকের ক্ষতি সারায়

গাজর, কুমড়া, মিষ্টি আলু

জিঙ্ক ও আয়রন: সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক

মাংস, ডিম, পালং শাক, ডাল

ভিটামিন E: টিস্যু রিপেয়ার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে

সূর্যমুখী তেল, বাদাম, সবুজ শাকসবজি

4. পর্যাপ্ত পানি ও তরল
পানি

ডাবের পানি

লেবু পানি

স্যুপ (চিকেন/সবজি)

❌ যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে:
অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত বা ভাজা খাবার – হজমে সমস্যা করে

পেঁয়াজু, সমোসা, পুরি, চিপস

মিষ্টি জাতীয় খাবার (প্রসেসড সুগার) – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়

মিষ্টি, চকোলেট, কেক

কৃত্রিম খাবার বা ফাস্ট ফুড

বার্গার, পিজ্জা, কোল্ড ড্রিঙ্কস

ধূমপান ও অ্যালকোহল – ক্ষত সারাতে বাধা দেয়

অতিরিক্ত ঝাল ও মসলা – দেহে প্রদাহ বাড়াতে পারে

অতিরিক্ত টিপস:
দিনে ছোট ছোট করে বারবার খাবার দিন

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: প্রোটিন পাউডার)

যদি মুখ বা গলার অংশ পুড়ে গিয়ে থাকে, তবে নরম ও তরল খাবার দিন