সাভারের আশুলায়ায় ভুয়া কাবিনে স্ত্রী দাবি করে আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মিথ্যা মামলা করে শাহ আলম নামের এক সাংবাদিককে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
আদালতের প্রতি সম্মান রেখে গত রবিবার (১৭ই জুলাই) সকালে সাংবাদিক শাহ আলম জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
চক্রান্তের শিকার শাহ আলম আশুলিয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার।
মামলার বাদিনী মোসাঃ বেবী আক্তার (২৭) নীলফামারী জেলা কিশোরগঞ্জ থানা দক্ষিণ বড় ভিটা গ্রামের নুর মোহাম্মদের মেয়ে। তবে মামলায় যে বাড়ির কথা উল্লেখ করেছেন সেই বাড়ির কেউ মামলার বাদী বেবী কে চিনেনা।
অন্যদিকে বেবী আক্তার মানিকগঞ্জের যে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে সম্পুর্ণ করার দাবি করেছেন সেই কাজী এ বিয়ের কথা জানেন না বলে জানান। তিনি বলেন, আমি এই বিয়ে করায়নি। আমার সীল এবং স্বাক্ষর জাল করে কাবিন নামা তৈর করা হয়েছে।
অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, স্ত্রী দাবা করে দায়ের করা মামলায় বাদীনি যে ঠিকানা ব্যবহার করেছেন তা সঠিক না এবং তিনি মামলা দায়ের সময় যে জন্ম নিবন্ধনের কপি দেখিয়েছেন তা অনলাইনে খোঁজ নিয়ে কোনো সত্যতা পাওয়া যায় নি।
এ বিষয়ে সাংবাদিক শাহ আলমের ছেলে জসীম উদ্দিন বিজয় বলেন, আমার বাবাকে হয়রানী করতে ক্লাবের বহিঃকৃত সদস্যরা নারী দিয়ে মানিকগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সাজানো মামলা দায়ের করিয়েছে। মূলত তারা আমার নিরপরাধ বাবার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে উনার মান সন্মান নষ্ট করার পায়তারা করছে।