নিজস্ব প্রতিবেদক, আশুলিয়া এক্সপ্রেস:
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, চেতনা ও নিজের বিবেকের কাছে স্বচ্ছ থেকে তিনি রাজনীতি করে চলেছেন। কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপস করেননি আজবদি কোন দিন। তার দৃঢ় অবস্থানের কারণে আশুলিয়ার দিনদিন তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই সাহসী নেতা হলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ ইমাম হোসেন।
জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ ইমাম হোসেন ১৯৮৩ সালে ৫ জানুয়ারি নোয়াখালীর আমান উল্লাহপুর, ইউনিয়নের করিম পুর মোল্লা বাড়ীতে জন্ম গ্রহন করেন। তার মেঝো চাচা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সৈনিক লুৎফর রহমান ছিলেন আদমজী জুট মেলের একজন শ্রমিক নেতা। তিনি প্রায় বঙ্গবন্ধু সাথে দেখা ও কথা বলতেন। তার চাচার মুখে বাংলাদেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর অবদান ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে শুনতে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রেমী হয়ে উঠেন।
নোয়াখালীতে তার ছোট মামা হারুনুর রশিদ ও মেঝো ভাইসহ পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্কুল জীবন পেরিয়ে ঢাকায় পাড়ি দিয়ে অবস্থান নেন তার বড় বগ্নী পতি নুর আহাম্মেদ বাবুল সাহেব এর বাসায়। যিনি কাতার আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা। নিজ প্রচেষ্টায় যাত্রাবাড়ী দনিয়া কলেজ ভর্তি হয়ে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। কলেজ জীবনের প্রথম ছাত্রলীগের সদস্য পদ ও পরে ছাত্রলীগের সভাপতির পদ লাভ করেন।
কর্মজীবনে তিনি ঢাকা কটন মিলে চাকুরী দিয়ে শুরু করেন। সেখানে ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার কারণে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা আবুল কালাম ও কাসেম পাটওয়ারি ডাকে সারা দিয়ে সহকারী হিসাব রক্ষকের চাকরীতে যোগদান করেন। শুরু হয় শ্রমিক রাজনীতি, তখনো বড় বড় মেইল কারখানাগুলোতে চলছিল শ্রমিক রাজনীতি, যার প্রথম হাতে কলমে শিক্ষা তার।
ঢাকা কটন মেল আবারো বন্ধ হয়ে গেলে তিনি পাড়ি যমান সাভারের আশুলিয়ায়, ম্যানেজার পদে চাকুরী নেন ইলেক্ট্রনিক্স সিটি নামের একটি কোম্পানীতে। এর মধ্যে ২০০৬ সালে বিবাহে আবদ্ধ হন গোপালগঞ্জে কাশিয়ানী থানার মিয়া বাড়ীর ভাগ্নি সাথে যিনি বঙ্গবন্ধুর বিশিষ্ট সহচর আক্তার উদ্দিন মোক্তার এমপি সাহেবের ভাগ্নী। যার রয়েছে বঙ্গবন্ধু আদর্শ ও চেতনা তিনি কি আর থেমে থাকতে পারেন? তাই তিনি সময়ের সাহসী নেতা মহসিন সাহেবের সাথে যোগদেন, যিনি বর্তমানে আশুলিয়া থানা কৃষকলীগের সভাপতি। ওই সময়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের অর্থে নির্বাচনে ১০টি রিক্সা ভোট কেন্দ্রে লোক আনার জন্য বরাদ্দ দিয়ে ঢাকা-১৯ আসনে তথা ঢাকা আশুলিয়া অভিষেক হন।
চাকরীরত অবস্থায় শ্রমিক সংগঠন ঢাকা বিভাগ শ্রমিক লীগ আশুলিয়া থানা সভাপতি পরে বাংলা দেশ সড়ক পরিবহনের আশুলি থানার সভাপতি, ও জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি, বর্তমানে জাতীয় শ্রমিক লীগ আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক, হিসেবে শ্রমজীবীদের পক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. এনামুর রহমানের হয়ে কাজ করেন। শ্রমিক নেতা হিসেবে আশুলিয়ার মূল আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাভাজন সিনিয়র প্রতিটি নেতার সাথে সু-সম্পর্ক রেখে চলছে আগামী পথচলা