হাসান ভূঁইয়া, আশুলিয়া এক্সপ্রেস:
আশুলিয়ায় ধর্ষনের ঘটনায় অভিযোগে একদিন পর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় আবদুর রহিম নামের একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। নিহতের মরাদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে ধর্ষনের ঘটনায় অপমান ও ক্ষোভে আত্নহত্যা করেছে।
সোমবার সকালে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রোববার দুপুরে আশুলিয়া থানায় ধর্ষনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই কিশোরী।
অভিযোগে দেখা যায়, আশুলিয়ার জামগড়ার পোশাক কারখানা থেকে সন্ধ্যায় ছুটি শেষে বের হয়ে যাওয়া পথে শিপন ও রিপনসহ আরও দুই বখাটে তাদের গতিরোধ করে। পরে তাদের সহায়তায় রিপন তাকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে।
আটক আবদুর রহিম পাবনা জেলার সাথিয়া থানার পিপুলিয়া গ্রামের আবদুর সাত্তারের ছেলে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ জানান, এ ঘটনায় ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ধর্ষনের ঘটনা ও মৃত্যুর কারণ তদন্ত ও ময়না তদন্ত শেষে বলা যাবে।
অন্যদিকে আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বলিভদ্র বাজার এলাকায় মহনা পরিবহনের একটি বাস থেকে দুখুনি বেগম (৪০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুখুনি বগুড়া জেলার শেরপুর থানার উত্তর শাহপাড়া এলাকার মো. হোসেনের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
এ সময় তার কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে প্রাথমিকভাবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলেও ঘটনার কারণ জানা যায়নি। বাসের চালক ও হেলপার কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।