ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রাইভেটকারে করে গাঁজা পাচারের সময় ৩৬ কেজি গাঁজাসহ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম (৪০) ও তার গাড়িচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে আখাউড়া-আগরতলা সড়কের পৌরশহরের বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কামরুল ইসলাম পৌরশহরের তারাগন গ্রামের দানু মিয়ার ছেলে এবং আখাউড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার সহযোগী ও গাড়িচালক রাব্বি প্রকাশ গোলাম রাব্বি (২৫) ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা গ্রামের আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে। রাব্বি বর্তমানে আখাউড়ার রাধানগর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পৌরশহরের বাইপাসের কোড্ডা সড়ক এলাকায় অভিযান চালায় আখাউড়া থানা পুলিশ। এ সময় সন্দেহভাজন একটি টয়োটা প্রাইভেটকার (রেজি. নং-চট্ট মেট্রো-গ-১১-৩৬৩৭) আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে গাড়ি থেকে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং গাড়িতে থাকা যুবদল নেতা কামরুল ও তার চালক রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছমিউদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে এক মাদক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে এই গাঁজার চালান সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। জব্দ করা মাদকের আনুমানিক মূল্য ও প্রাইভেটকারসহ তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পাঠানো হবে।
এদিকে মাদকসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে উল্লেখ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিগগিরই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।