সকল বাধাবিপত্তিকে পেরিয়ে অবশেষে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে আশুলিয়ার সেই আলোচিত ব্যক্তি উদ্যেগে তৈরী করা যাত্রী ছাউনি।
সোমবার সকালে আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের ডিইপিজেড এলাকার সেই যাত্রী ছাউনির উদ্বোধন করেন এর প্রতিষ্ঠাতা ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন।
জানা যায়, চলতি মাসের শুরুর দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি হাজী মো. ইসরাফিলের নেতৃত্বে ভাদাইল সড়কের মুখে ডিইপিজেড এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ করে এলাকাটি পরিস্কার করা হয়। এরপরে গত ১৫ নভেম্বর সেখানে তিনি সর্বসাধারণের জন্য সেখানে ২টি যাত্রী ছাউনি তৈরীর কাজ শুরু করেন। এ সময় তার এই কাজে বাঁধা প্রদান করেন স্থানীয় কিছু লোকজন। ভালো কাজে বাঁধা প্রদানের বিষয়টি বেশ ফলোয়াপ করে সংবাদ প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। যার ফলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয় এবং বাঁধা প্রদান কারীদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে।
সে সময় এলাকাবাসীর দাবি করেন, রাজনৈতিক বিভেদ বাদ দিয়ে জনস্বার্থের কাজে সহযোগিতা করা উচিত। তারা চাইছেন- যাত্রী ছাউনি নির্মাণ যেন বাঁধাহীনভাবে সম্পন্ন হয় এবং ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগকে উৎসাহ দেওয়া হয়। চলমান কাজে প্রশাসনের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবিও করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি হাজী মো. ইসরাফিল বলেন, যারা সাধারণ পথচারী আছে এই যাত্রী ছাউনি তাদের জন্য। তারা যেন রৌদ, বৃষ্টির এসে দাঁড়াতে পারেন। সে চিন্তা করে আমরা এখানে দুইটা যাত্রী ছাউনি করেছি। একটা মহিলাদের জন্য, অন্যটি পুরুষদের জন্য।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই রাস্তার যে পরিস্থিতি ছিল, যানজট, ফুটপাতে দোকান দিয়ে রাস্তা দখল, সবকিছু মিলিয়ে আমরা খুব সমস্যার ভেতরে যাতায়াত করতে ছিলাম। সেই কথা চিন্তা করে আমাদের ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা একটা উদ্যোগ নেই যে ভাদাইলের রাস্তাটি যানজট মুক্ত করব। সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ করা। বিভিন্ন জেলার মানুষ এখান দিয়ে যাতায়াত করে, তাদের এখানে দাঁড়ানোর কোন জায়গা নেই, বসার কোন জায়গা নেই। মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে দুটি যাত্রী ছাউনি করা হয়েছে।