ভেড়া পেল হাওর অঞ্চলের দুই শতাধিক পরিবার

আগের সংবাদ

নবাবগঞ্জে পোশাকের দোকানে ক্রেতা নেই, হতাশ ব্যবসায়ীরা

পরের সংবাদ

মাদ্রাসার মোহতামিমের বিরুদ্ধে ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত :৩:২১ অপরাহ্ণ, ০৩/০৪/২৩

দেবিদ্বারে হাফিজিয়া মাদ্রাসার মোহতামিমের বিরুদ্ধে এক ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার পৌর এলাকার বড় আলমপুর নূরে মদীনা রওজাতুল উলুম মাদ্রাসায়।

স্থানীয়রা জানান, পৌর এলাকা বড় আলমপুর গ্রামের প্রবাসী আক্তারুজ্জামানের ছেলে ওই মাদ্রাসার হেফজুল কুরআন বিভাগের ছাত্র মো. জুবায়ের (১২)। সে একটি গাছের পাতা দিয়ে খেলা করছিল। এ সময় একই শ্রেণির ছাত্র বিনাইপাড় গ্রামের সালাহউদ্দিনের ছেলে মো. সামিউল (১২) জুবায়েরের হাত থেকে পাতাটা নিয়ে গেলে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে দুজনই মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় জুবায়েরের পায়ের আঘাতে সামিউল বাম চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ওই ঘটনায় সামিউল বাড়িতে এসে তার বাবার কাছে বিচার দেয়। শনিবার রাতে তারাবিহ নামাজের পর সামিউলের বাবা লোকজন নিয়ে মাদ্রাসায় হাজির হয়ে মোহতামিমের কাছে বিচার দাবি করেন। পরে মোহতামিম জুবায়েরকে মারধর করেন।

আহত জুবায়ের বলে- বড় হুজুর (মোতামিম) আমার বুকের ওপর পারা দিয়ে দুটি বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পিটিয়ে সারা শরীর জখম করে দেন। মারধরের বিষয়টি যেন পরিবারের কাউকে না বলি- এ কথাও বলেন।

জুবায়েরের মা সাকিলা আক্তার বলেন, জামা খুলে দেখি ছেলের সারা শরীরে বেতের আঘাত। বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ছেলেকে চিকিৎসা করাই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোহতামিম হাফেজ মাওলানা ওবায়দুল হক নোমান বলেন, এ ধরনের ভয়ংকর অপরাধ যাতে আর না করে তার জন্য ভয় দেখাতে এবং উপস্থিত লোকজনকে শান্ত করতে তাকে শাসন করেছি। শাসনটা এত বড় হয়ে যাবে ভাবিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমল কৃষ্ণ ধর জানান, মাদ্রাসাছাত্রের বেত্রাঘাতে আহত হবার ঘটনাটি কেউ অবগত করেনি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেব।

এই বিভাগের সর্বশেষ