সাভারের আশুলিয়ায় মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ইউপি সদস্য।
গতকাল (১জুন)বুধবার সন্ধ্যার পর তার নিজ বাসভবনে ইউপি সদস্য রাজন ভূইয়া সহ তার আত্মীয় স্বজনরা এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গত রোববার (২৯ মে) বিকালে আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকার পূর্ব নরসিংহপুর সোনামিয়া মার্কেট এলাকায় হাবিবুর রহমান ও জামাল ভুইয়ার ১০ বছর ধরে ব্যবসা করে আসা ইন্টারনেটের ব্যবসা দখল নেওয়া, ভুক্তভোগী কে মারধর ও চাঁদা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন (রাজন) ভুঁইয়া সহ সাত জনের নামে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে হাবিবুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে রাজনের আত্মীয় স্বজননা বলেন, রাজনের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা আমরা কখনো আশা করি নাই।রাজন একজন ভদ্র ছেলে। তার এলাকায় জনপ্রিয় অনেক। এলাকার সবাই ওকে অনেক ভালোবাসে। তাই এবার ইউপি নির্বাচনে জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সে মেম্বার হয়েছে। তার জনপ্রিয়তার ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। তাই আমাদের ও এলাকায় সকল ভোটারদের একটাই চাওয়া তার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে তা প্রত্যাহার করা হোক।
ইয়ায়পুর ইউনিয়ন এর ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জলিল (রাজন) ভূইয়া বলেন,আমি ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত , এবার আমি নতুন মেম্বার হয়েছি,আমার নামে যে অভিযোগে মামলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার। আর যাঁরা মামলার বাধি তারা ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তারা আমার এলাকায় এসে বরং আমাদের ব্যবসা দখল নিতে আসে ,তার পরেও ছেলেরা মারা মারি করলে স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতা মজিবুর রহমান সাহেদ বিষয়টি মিমাংসার জন্য তার বাসায় আমাকে ডাকলে আমি যাই। কিন্তু পরে দেখি তারা আমার নামেই মামলা করছে। তাই আমি এই মামলা প্রত্যাহার চাই।
আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান সাহেদ বলেন, ইন্টারনেট লাইন সংযোগ দেয়া নিয়ে ইয়ারপুর ইনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত মেম্বার জলিল উদ্দিন ভুঁইয়া (রাজন) ও হাবিবুর রহমান ভুঁইয়াদের হামলা মামলার ঘটনা লজ্জাজনক। তিনি বলেন, সবাই নিজেদের মধ্যে মাত্র ১০-১২ হাজার টাকার ব্যবসা নিয়ে এতো দূর পর্যন্ত হামলা মামলা করা উচিত হয়নি।