দালাল বা আদম ব্যাপাীর খপ্পরে পড়ে প্রতি নিয়ত সর্বশান্ত হচ্ছে শহর- গ্রামাঞ্চলের হাজার হাজার সাধারন বেকার যুবক। প্রতারক দালালদের কাছে এযেন নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আদম ব্যাপারী প্রতারক আলম সোহেল কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দিলে বিদেশে মিলবে ভালো বেতন ও ভালো চাকরী। এই রকম প্রলোভন দেখিয়ে উপজেলার বহু বেকার যুবকের পরিবারের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত আদম ব্যবসায়ী সোহেলের বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবার গুলো বিভিন্ন জায়গায় বিচার জন্য ধরনা ধরলেও সবাই নিরব ভুমিকা পালন করছে। আর একারনে অসহায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো কোনো বিচার না পেয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন পাড় করছে। ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে সৌদিত পাঠিয়ে লাক্ষ লাক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চামাচর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আলম সোহেল এর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৫ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জিকদ্দা গ্রামের সালেহ আহমেদ ছেলে হারুন-অর-রশিদ শিপনকে ভালো কাজ দেওয়ার নাম করে তার নিকট থেকে ২লক্ষ ৯০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় সোহেল। পরবর্তীতে তাকে সৌদেতে পাঠানো হলেও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত্রে কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় তাকে গত ১ বৎছর কোন কাজকর্ম না দিয়ে এক স্থানে আটকে রাখা হয়।
মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন চলায় প্রচন্ড খাদ্য সংকটে ভূগছে সে।
হারুন-অর-রশিদ শিপনের পিতা সালেহ আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে সোহলে সৌদি ভালো কাজ আর মোটা অংকের বেতন দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট থেকে ২লক্ষ ০৯ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আমার শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে সোহেলের কাছে টাকা দিয়। কিন্তু সে আমার ছেলেকে সৌদি পাঠালেও তার কোন কাজ দেয়নি বরং তাকে গত ১ বৎসর যাবৎ একটি স্থানে আটকে রাখে।
জানা গেছে, সোহেল এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবকরে বিদেশে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজে আলীশান বাড়ি আর আলীসান জীবন-যাপন করলেও, মানবতা ও হতাশার মধ্যে জীবন-যাপন করছেন বেকার যুবকরা। এমন কি নিঃশ্ব হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারের সদস্যরা।