জলবায়ু পরিবর্তনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখছেন ১১০০ বিজ্ঞানী

Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের জন্য অশনি সংকেত দিলেন বিজ্ঞানীরা।  প্রায় ১১০০ জন বিজ্ঞানীর একটি গবেষণা বলছে, বিশ্ব জলবায়ু এখন জরুরি অবস্থার সম্মুখীন

বিবিসি জানায়, ৪০ বছরের তথ্য-পরিসংখ্যান নিয়ে এই গবেষণা চালান বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হচ্ছে বিশ্বের সরকারগুলো।

বিজ্ঞানীরা বলেন, ‘বড় ধরনের ও স্থায়ী পরিবর্তন ছাড়া অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পৃথিবী।’

নৈতিক বাধ্যবাধকতা থেকে হুমকির এই মাত্রাটি সম্পর্কে তারা বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছেন বলে তারা জানান।

গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, গত মাসটি ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি মাত্রায় উত্তপ্ত অক্টোবর মাস।

কেবল ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা পরিমাপ করে গবেষকেরা দেখেছেন, একটি উত্তপ্ত বিশ্ব কী রকম ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে। যা মোকাবিলা করার জন্য এখনো প্রস্তুত নয় বিশ্ব।

গত ৪০ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃতি ও চরিত্র নির্ণয় করতে কিছু সূচক গবেষণায় ব্যবহার করেছেন তারা। এতে আছে,  মানুষ ও প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু মাংস উৎপাদন, গাছ নিধনজনিত ক্ষতি পাশাপাশি  জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার।  প্রত্যেকটি সূচকই উল্টো পথে ঘুরছে। ফলে এই জরুরি জলবায়ু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

গবেষণাটির প্রধান লেখক ইউনিভার্সিটি অব সিডনির গবেষক ড.থমাস নিউসাম বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমরা যদি কোনো ব্যবস্থা না নিই, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস না করি, পশুপালন ও উৎপাদন কমিয়ে না দিই, জমি নিধন না করি, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যয় কমিয়ে না দিই, তাহলে আমাদের অভিজ্ঞতা হবে আরও বেশি ভয়াবহ।’

তবে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথাও বলেছেন বিজ্ঞানীরা। যেমন, বায়ু ও সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার প্রতি দশকে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৩৭৩ শতাংশ। কিন্তু এটি ২০১৮ সালের জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের চেয়েও ২৮ গুণ কম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here