ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে মধ্যরাতে

Print Friendly, PDF & Email

ন্যাশনাল ডেস্ক: দেশে ইলিশের প্রজনন ঠিক রাখতে গত ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রেখেছিল সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময়ে জেলেদের জীবন চালিয়ে নেয়ার জন্য খাদ্য সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। প্রত্যেক জেলেকে ২০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ জেলেই এ সহযোগিতা পাননি।

গত ৭ অক্টোবর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছিলো, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০১৯ উপলক্ষে ইলিশের প্রধান মৌসুম ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এ সময় ইলিশ ধরার উপর নির্ভরশীল জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। এ সময় বিজিএফ খাদ্য সহায়তা হিসেবে ২০ কেজি করে প্রত্যেক জেলেকে চাল দেয়া হবে।

দীর্ঘ ২২ দিনের অলস সময় শেষ করে ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভোলার সাত উপজেলার জেলেরা। ২২ দিন অবোরধ শেষে মাছ ধরবেন এমন আশাই জাল বুনছেন ও ট্রলার মেরামতের কাজ ও জাল বুনে অলস সময় পার করছেন। মাছ ধরার এই নিষিদ্ধ সময়ে অনেকে অতি উৎসাহ দেখিয়ে নদীতে মাছ ধরতে গেলেও বেশির ভাগ জেলেই সরকারের সদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নদীতে মাছ ধরতে যাননি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফিসিং বোর্ড মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম বলেন, জেলেরা যদি সহযোগিতা না পেতেন তাহলে তাদের জীবন চালানো খুবই সমস্যা হতো। সাথে সাথে যারা অবৈধভাবে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরেছেন তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here